আজ সুখে থাকার দিন
আজ ২০ মার্চ, আন্তর্জাতিক সুখ দিবস। ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনে সুখের তাৎপর্যকে স্বীকৃতি দিয়ে এ দিনটি পালিত হয় বিশ্বব্যাপী। "সহজ, দৈনন্দিন সুখের অভ্যাস গড়ে তোলা" এবারের প্রতিপাদ্য। ২০১২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দিবসটির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মিললেও এর পথপ্রদর্শক ছিলেন ভুটান। ১৯৭০-এর দশক থেকেই "মোট জাতীয় সুখ" সূচকের মাধ্যমে দেশটি উন্নয়ন পরিমাপ করে আসছে।
জাতিসংঘের উপদেষ্টা জেম এলিয়েন ২০১১ সালে সুখ দিবসের ধারণা উপস্থাপন করেন। ২০১২ সালের ২৮ জুন ১৯৩টি দেশের সমর্থনে দিবসটি চালু হয়। জাতিসংঘের মতে, "সুখই জীবনের লক্ষ্য। টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সম্প্রীতি নিশ্চিত করাই এর মূল ভিত্তি।" প্রতি বছর এ দিনে "ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট" প্রকাশ করা হয়, যাতে দেশগুলোর অর্থনৈতিক-সামাজিক সূচক, নাগরিকদের মানসিক স্বাস্থ্য ও জীবন-সন্তুষ্টির ভিত্তিতে র্যাঙ্কিং দেওয়া হয়।
জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের প্রস্তাবে বলা হয়, ‘মানুষের জীবনের মূল উদ্দেশ্য সুখে থাকা। ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণসহ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিতে দিবসটি পালন করা হবে। সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ওপর পূর্ণ এক বছর জরিপ পরিচালনা করে এই দিবসে সুখী দেশের তালিকা প্রকাশ করে থাকে জাতিসংঘ।’
‘ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৪’-এর হিসাব অনুযায়ী সুখী দেশের তালিকায় শীর্ষে আছে ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন। দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটান ১০৪তম, ভারত ১২৬তম, বাংলাদেশ আছে ১২৯তম স্থানে।




































