সোমবার , ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
Monday , 01 December 2025
১৬ অগ্রাহায়ণ ১৪৩২
০৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৭

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪:৫০, ৯ অক্টোবর ২০২৫

পাকিস্তানের কৌশলে চাপে ভারত! 

পাকিস্তানের কৌশলে চাপে ভারত! 

এক কাশ্মীর হামলাকে কেন্দ্র করে  কোন তথ্য প্রমাণ ছাড়াই পাকিস্তানে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে গিয়ে মুখ থুবরে পড়ে ভারতীয় দাদাবাবুরা। এরপর থেকেই মাঝেমধ্যে দুদেশের সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করে, সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে চিরশত্রু দুই দেশের সেনাদের মধ্যে। এসবের মঝেই এবার পাকিস্তানের নয়া কৌশলে যেনো পুরোপুরি পরাস্ত হতে যাচ্ছে ভারত।    

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, সৌদি আরবের সঙ্গে একটি যুগান্তকারী সামরিক চুক্তি করেছে পাকিস্তান, যার নাম স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট (SMDA)। এই চুক্তির মাধ্যমে ইসলামাবাদ শুধু কৌশলগত নিরাপত্তা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক বন্ধন গড়ে তুলেছে।

তবে এখানেই শেষ নয়। কাশ্মীর ইস্যুতে এবার পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তিধর দেশ তুরস্ক। শুধু রাজনৈতিক সমর্থন নয়, তারা এখন সরাসরি পাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে। বিশেষ করে অত্যাধুনিক Bayraktar TB2 ড্রোন সরবরাহ, নৌবাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো এবং নিয়মিত যৌথ মহড়ায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তুরস্ক-পাকিস্তান সম্পর্ক এখন এক নতুন উচ্চতায় পৌছে গেছে।

এই জোটে আরও যুক্ত হয়েছে আজারবাইজান ও চীন। দক্ষিণ ককেশাসের দেশ আজারবাইজান গত কয়েক বছর ধরেই ভারতের বিরোধী অবস্থানে রয়েছে। আর চীন তো দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের আস্থাভাজন সামরিক ও কৌশলগত অংশীদার। পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান, ট্যাংক, কামান, যুদ্ধজাহাজ এবং উপগ্রহ প্রযুক্তি— সব ক্ষেত্রেই পাকিস্তানকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বেইজিং। কূটনৈতিক সম্পর্ক ছাড়িয়ে এই সম্পর্ক এখন সরাসরি গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও সামরিক প্রশিক্ষণে পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত এখন একাধিক ফ্রন্টে কৌশলগত চাপের মুখে। একদিকে পাকিস্তান-তুরস্ক-আজারবাইজান-চীন, অন্যদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে নতুন চুক্তি— সবমিলিয়ে ভারতের জন্য এই পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।

তবে দিল্লিও হাত গুটিয়ে বসে নেই। পাল্টা জোট গঠনে উদ্যোগ নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। গ্রিস, সাইপ্রাস, আর্মেনিয়া ও ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করে জোটের পাল্টা ভারসাম্য আনতে চাইছে ভারত। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই দেশগুলোর সঙ্গে তুরস্ক ও আজারবাইজানের দ্বন্দ্ব বহুদিনের।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়