নাটোর–১ আসনে নারী নেতৃত্বের নতুন সম্ভাবনা ফারজানা শারমিন পুতুল
নাটোর–১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইউনিয়ন ও গ্রামাঞ্চলে ঘুরে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন তিনি। তার গণসংযোগে বিশেষ করে নারী ভোটারদের সমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানা গেছে।
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে হওয়ায় এলাকাজুড়ে তাকে নিয়ে বিশেষ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। গণসংযোগে অংশ নিতে নারীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। কোথাও তাকে দেখে বুকে জড়িয়ে ধরছেন, কোথাও ছুড়ে দিচ্ছেন ফুলের পাপড়ি। স্কুটারের পেছনে দাঁড়িয়ে পাড়া–মহল্লায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। আবার তরুণদের সঙ্গে ক্যারাম খেলায় অংশ নিয়ে আলোচনায় আসছেন তরুণদের কাছেও। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় ‘নারীদের গণজোয়ার’ তৈরি করেছেন পুতুল।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাগাতিপাড়া সদর ইউনিয়নে পথসভায় ব্যারিস্টার পুতুল বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, দরিদ্র মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং বেকার যুবকদের জন্য বেকার ভাতা দেওয়া হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মামলার ভয় নিয়ে কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারবে না, এমন পরিস্থিতি আর থাকবে না। কাউকে গুম হতে হবে না। দেশের দ্রব্যমূল্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসা হবে।’
গণসংযোগে বক্তব্য দিতে গিয়ে পুতুল তার বাবার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে লালপুর–বাগাতিপাড়ায় অসংখ্য কাঁচা রাস্তা পাকা করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। আমি নির্বাচিত হলে একটি রাস্তাও কাঁচা রাখব না।’
নির্বাচিত হলে এলাকায় শিল্প কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, যুবকদের বিদেশমুখী হওয়া কমানো এবং নারীদের স্বাবলম্বী করার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
ফারজানা শারমিন পুতুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে বিলেত থেকেও আইনে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। ২০০৮ সালে আইনজীবী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০১২ সালে সুপ্রিম কোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতি পান। ফৌজদারি, বিচারিক পর্যালোচনা ও সাংবিধানিক আইনে দক্ষতা অর্জন করেছেন তিনি। তিনি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস–এ সহযোগী আইনজীবী ছিলেন এবং বর্তমানে রাইটস চেম্বার্সের অংশীদার। বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিটিআরসি’র আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
তাছাড়া তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্রিটিশ হাইকমিশনের ইংরেজিভাষী আইনজীবীর সংরক্ষিত তালিকায় নিবন্ধিত আন্তর্জাতিক বার অ্যাসোসিয়েশন, সোসাইটি অব দ্য মিডল টেম্পল, এশিয়াসিল এবং ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। এছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী বাতিলের চ্যালেঞ্জ মামলায় তিনি আইনজীবী হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন।
তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি দলের মানবাধিকার কমিটি ও মিডিয়া সেলের একজন সক্রিয় সদস্য।
তার গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হারুন অর রশীদ পাপ্পু, সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম, বিলমাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান ছিদ্দিক আলী মিষ্টু, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ; যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।
গ্রামাঞ্চলের ভোটাররা সাধারণত উন্নয়ন ও নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ভোট দেন। স্থানীয়রা বলছেন, পটলের মেয়ের মধ্যে আমরা আমাদের এলাকার পুরোনো ঐতিহ্য ও নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব, দুটোই দেখতে পাচ্ছি।
নারী নেতৃত্বের উত্থান, আইনজীবীর পেশাগত দৃঢ়তা এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় অবস্থান—সব মিলিয়ে ব্যারিস্টার পুতুল নাটোর–১ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি।
এছাড়া বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী বাতিলের চ্যালেঞ্জ মামলায় তিনি আইনজীবী হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন।
তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজরি কমিটির বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি দলের মানবাধিকার কমিটি ও মিডিয়া সেলের সক্রিয় সদস্য।
তার গণসংযোগে উপস্থিত ছিলে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হারুন অর রশীদ পাপ্পু, সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম, বিলমাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান ছিদ্দিক আলী মিষ্টু, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ; যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।
গ্রামাঞ্চলের ভোটাররা সাধারণত উন্নয়ন ও নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে ভোট দেন। স্থানীয়রা বলছেন, পটলের মেয়ের মধ্যে আমরা আমাদের এলাকার পুরোনো ঐতিহ্য ও নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব, দুটোই দেখতে পাচ্ছি।
নারী নেতৃত্বের উত্থান, আইনজীবীর পেশাগত দৃঢ়তা এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় অবস্থান—সব মিলিয়ে ব্যারিস্টার পুতুল নাটোর–১ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন




































