বিমান থেকেই লাইভে ইসরায়েলি জিম্মি মুক্তির দৃশ্য দেখলেন ট্রাম্প!
গাজা থেকে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির ঐতিহাসিক সেই মুহূর্ত সরাসরি সম্প্রচারে দেখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—তা-ও আবার আকাশপথে, এয়ার ফোর্স ওয়ানে বসেই! যুদ্ধবিরতির আওতায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস প্রথম ধাপে সাতজন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ ঘটনাটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রা করা ট্রাম্প নিজস্ব বিমানে বসেই জিম্মি মুক্তির দৃশ্য সরাসরি দেখেছেন। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এক টুইটে ট্রাম্পের সেই মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করা হয়, যার ক্যাপশনে লেখা ছিল, “ইতিহাস সৃষ্টি হচ্ছে”।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিমান শিগগিরই ইসরায়েলে অবতরণ করবে। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। একইদিনে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেওয়ারও কথা রয়েছে। এরপর স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে মিশরের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বরাতে জানা গেছে, হামাসের ছেড়ে দেওয়া সাতজন জিম্মিকে ইতোমধ্যে নিরাপদে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তারা এখন ইসরায়েলি ভূখণ্ডের পথে রয়েছেন। মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন যমজ ভাইবোন গালি ও জিভ বারম্যান, মাতান অ্যাংরেস্ট, অ্যালোন ওহেল, ওমরি মিরান, এইতান মোর এবং গাই গিলবোয়া-দালাল।
জর্ডানের আম্মান থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক নূর ওদেহ জানিয়েছেন, বন্দিদের শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো এবং তারা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই জিম্মি মুক্তির পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে পুরো যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়ন ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সময়সাপেক্ষ এবং জটিল একটি প্রক্রিয়া।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল, সিএনএন, আল জাজিরা




































