রোববার , ২৮ জুন ২০২৬
Sunday , 28 June 2026
১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

জাতীয়

প্রকাশিত: ২০:০৩, ২৭ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সফরকালে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ৮টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে মোংলা বন্দর ও চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠার চুক্তিও রয়েছে।

তিনি আরও জানান, তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতায় সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়ে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। এছাড়া কুনমিং থেকে বাংলাদেশে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব দিয়েছে বেইজিং। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং অন্য একটি দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক স্থগিত রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যা দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতারই প্রতিফলন।

মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির বাস্তব প্রয়োগে এই সফর উল্লেখযোগ্য সাফল্য এনে দিয়েছে। তিনি জানান, সফরকালে সন্ত্রাসবাদ দমন এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ে দুটি নোট অব ভার্বাল স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের বিষয় এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় দুই দেশ নীতিগতভাবে একসঙ্গে কাজ করবে।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশকে উন্নয়নের স্থায়ী অংশীদার হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ব্রিকস ও সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সদস্যপদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আবেদনকে সমর্থনের আশ্বাসও দিয়েছে বেইজিং।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়