বুধবার , ০৩ জুন ২০২৬
Wednesday , 03 June 2026
১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২০২৬৭ ২০২৬৩ ২০২৬১

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৬:৩১, ১৭ আগস্ট ২০২৪

মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে খেতে হবে যে পাঁচ খাবার

মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে খেতে হবে যে পাঁচ খাবার
ছবি: সংগৃহীত

নানা কারণে সারা বিশ্বের মানুষই এখন মানিসক উদ্বেগ, অবসাদ আর হতাশায় জর্জরিত। এই সমস্যাগুলোর সঙ্গে লড়াই করতে অনেকেই যোগ ব্যায়াম, মেডিটেশন, প্রাণায়াম করে থাকেন। তবে কিছু খাবারও রয়েছে যেগুলো মানসিক সমস্যাগুলো দূর করতে পারে। পুষ্টিবিদরা এমন দাবিই করেছেন। চলুন তবে দেরি না করে জেনে নিই তেমনই পাঁচটি খাবার সম্পর্কে। যেগুলো নিয়মিত খেলে আপনি মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন।

ব্লুবেরি

ব্লুবেরির মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফ্ল্যাভোনয়েড। এই উপাদানগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে, যেগুলো আপনার উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে। এছাড়া ব্লুবেরিতে থাকে উচ্চমাত্রায় অ্যান্থোসায়ানিন, যা সামগ্রিকভাবে আপনার মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ব্লুবেরি খাদ্য তালিকায় রাখলে আপনি মানসিকভাবে থাকতে পারবেন অনেক বেশি সুস্থ।

ডার্ক চকলেট

ডার্ক চকলেট শুধু একটি সুস্বাদু খাবার হিসেবে পরিচিত তা নয়, এটি আপনার মানসিক উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। ডার্ক চকলেটের মধ্যে থাকে ফ্ল্যাভোনয়েড, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়া ডার্ক চকলেটে থাকে ম্যাগনেসিয়াম, যা স্নায়ুর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত ডার্ক চকলেট আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক প্রমাণিত হতে পারে। তাই যথাসম্ভব নিয়ম মেনে খাবেন ডার্ক চকলেট।

হলুদ

রান্নার একটি অন্যতম প্রধান উৎপাদান হলো হলুদ। হলুদের মধ্যে থাকে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য, যা উদ্বেগ এবং বিষন্নতা কাটাতে সাহায্য করে। এছাড়া হলুদ সেরোটোনিন এবং ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে আপনার মেজাজ থাকে নিয়ন্ত্রণে।

স্যামন

স্যামন এমন একটি মাছ, যার মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা আপনার মস্তিষ্কে স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। এই ফ্যাটি অ্যাসিড স্বাস্থ্যকর নিউরোট্রান্সমিটার ফাংশনকে উন্নত করতে সাহায্য করে, যা উদ্বেগ তৈরি করার জন্য দায়ী।

ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের নিয়মিত সেবন আপনার মানসিক উদ্বেগ কমিয়ে দেয়। ইনফ্লামেটরি সাইটোকাইনের মাত্রা কমিয়ে মস্তিষ্কের কোষ গঠন করতে সাহায্য করে। যারা মাছ খেতে পছন্দ করেন না, তারা যদি ডায়েটে এই মাছটি রাখেন সপ্তাহে দুদিন, তাহলে প্রচুর উপকার পাবেন।

ক্যামোমাইল চা

আপনি যদি উদ্বেগ এবং অনিদ্রা জনিত রোগে আক্রান্ত হন, তাহলে ক্যামোমাইল চা আপনার জন্য ভীষণ উপকারী প্রমাণিত হবে। বহু শতাব্দী ধরে এই ভেষজটি মানুষের অবসাদ কাটাতে সক্ষম।

এই চায়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উদ্বেগ জনিত ব্যাধির লক্ষণগুলো কমাতে সাহায্য করে। এটি আপনি ক্যাপসুল আকারেও গ্রহণ করতে পারেন। প্রতিদিন এক কাপ ক্যামোমাইল চা খেলে আপনার মন শান্ত হয়ে যাবে। কেটে যাবে মানসিক উদ্বেগ আর হতাশা।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়